ব্যক্তিগতভাবে আমি ইবনুল-কাইয়্যিম রহ.-এর কিতাব বেশি পছন্দ করি। তাঁর লেখনীতে আলাদা একটি বৈশিষ্ট্য আছে। প্রতিটি বিষয়ের চুলচেরা বিশ্লেষণের পাশাপাশি এতটা অন্তর-স্পর্শী ভাষায় লেখেন যে, সরাসরি অন্তরে গিয়ে বিধে। কিন্তু ইমাম গাজালী রহ.-এর লেখনী পড়তে গেলে মাঝে মাঝে আমি নিজের মস্তিষ্কের ওপর কাবু হারিয়ে ফেলি। যেন আমাকে মাতাল করে দিচ্ছে! তিনিও প্রতিটি বিষয়ের অনেক গভীরে যান। মাঝে মাঝে খেই হারিয়ে ফেলি! কীভাবে সম্ভব! আমার মনে আছে, সর্বপ্রথম তার যে বই পড়েছিলাম, সেটা ছিল জবানের হেফাজত নিয়ে। ৭০-৮০ পৃষ্ঠার এই ছোট্ট বইটি পড়ার পর এক সপ্তাহ লেগেছে এর রেষ কাটতে। মুখ দিয়ে কথাই বের হতে চাইতো না!
.
আত্মশুদ্ধির জগতে এই ইমাম অসাধারণ কাজ করে গেছেন। সেসব কাজের ভিতর 'মুকাশাফাতুল কুলূব' বইটি অন্যতম। অন্তরের ব্যাধি, এর প্রতিকার, দুনিয়ার নিন্দা, তাকওয়া, মৃত্যু এবং পরকাল নিয়ে চিন্তাভাবনা, অল্পেতুষ্টি, শোকর, যিকির, তাওবা, কী নেই এই বইতে? ৬৩২ পৃষ্ঠার এই বৃহৎ বইটির বাংলা সংস্করণ 'আল্লাহকে পেতে চাইলে', প্রতিটি হাদীসের তাহকীক তাখরীজ সহ অনুবাদ করেছে কাজী আবুল কালাম সিদ্দীক।
.
বই: আল্লাহকে পেতে চাইলে
লেখক: হুজ্জাতুল ইসলাম ইমাম গাযযালী (রহ.)
প্রকাশনী: আনোয়ার লাইব্রেরী
মূল্য: ৪২% ছাড়ে ৪০৬৳
অর্ডার করতে ভিজিট করুন: https://bit.ly/33CnAs8