বই: দৃষ্টি শয়তানের বিষাক্ত তির
লেখক: শাইখ আব্দুল মালিক আল কাসিম
অনুবাদ ও সম্পাদনা: হাসান মাসরুর
প্রকাশক: মুফতি ইউনুস মাহবুব
প্রকাশনী: রুহামা পাবলিকেশন
মোট পৃষ্ঠা: ৮৮
মুদ্রিত মূল্য: ১১২ টাকা

নৈতিক চরিত্রের অধঃপতন শুরু হয় দৃষ্টির মাধ্যমে। যিনার সূত্রপাত ঘটে দৃষ্টির মাধ্যমে। যেখানে অপরাধের সূত্রপাত, সেখানেই একজন মুমিনকে আটকিয়ে দিতে চায় ইসলাম। এজন্য শরীয়াত কোনো নারীর দিকে ইচ্ছাকৃত অপ্রয়োজনীয় দৃষ্টিপাতকে জায়েয রাখে নি। কেউ যদি প্রশ্ন করে যে বর্তমান যুব সমাজের ধ্বংসের প্রথম কারণ কী, তাহলে নির্দ্বিধায় বলা যেতে পারে, সেটি হল নারীর ফিতনা। আর এ ফিতনা থেকে নিজেকে দূরে রাখার প্রধান উপায় হচ্ছে দৃষ্টিকে সংযত রাখা।

খারাপ দৃষ্টির কুফলসমূহ, দৃষ্টি সংক্রান্ত শরীয়াতের দিকনির্দেশনা, দৃষ্টি সংযত রাখার উপায় ইত্যাদি সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করা বর্তমানে প্রতিটি মুসলিম যুবকের জন্য অপরিহার্য বলে মনে করি। এক্ষেত্রে শাইখ আব্দুল মালিক আল কাসিম সাহেবের 'দৃষ্টি শয়তানের বিষাক্ত তির' বইটি অত্যন্ত উপযোগী বলে আমার কাছে মনে হয়েছে।

☆লেখক পরিচিতি (প্রকাশনীর পেজ থেকে সংগৃহীত)
--------------------------------------------------------------------
ড. শাইখ আব্দুল মালিক আল-কাসিম। আরব-বিশ্বের খ্যাতনামা লেখক, গবেষক ও দায়ি। জন্মেছেন সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদ থেকে ১২০ কি.মি. উত্তরে অবস্থিত ‘বীর’ নগরীতে—বিখ্যাত আসিম বংশের কাসিম গোত্রে। তাবলিগে দ্বীন ও ইলমে নববির চর্চা ও প্রসারে এই গোত্রের ব্যাপক অবদান রয়েছে। তাঁর দাদা শাইখ আব্দুর রহমান বিন মুহাম্মদ বিন কাসিম আল-আসিমি আন-নাজদি রহ. ছিলেন হাম্বলি মাজহাবের প্রখ্যাত ফকিহ। শাইখ আব্দুল মালিক আল-কাসিম সাহেবের পিতা শাইখ মুহাম্মদ বিন আব্দুর রহমান রহ.-ও ছিলেন আরবের যশস্বী আলেম ও বহু গ্রন্থপ্রণেতা।

শাইখ আব্দুল মালিক আল-কাসিম জন্ম সূত্রেই পেয়েছিলেন প্রখর মেধা, তীক্ষ্ণ প্রতিভা আর ইলম অর্জনের অদম্য স্পৃহা। পরিবারের ইলমি পরিবেশে নিখুঁত তত্ত্বাবধানে বেড়ে উঠেছেন খ্যাতনামা এই লেখক। আনুষ্ঠানিক পড়াশোনা শেষ করে আত্মনিয়োগ করেন লেখালেখিতে—গড়ে তোলেন ‘দারুল কাসিম লিন নাশরি ওয়াত তাওজি’ নামের এক প্রকাশনা সংস্থা। প্রচার-বিমুখ এই শাইখ একে একে উম্মাহকে উপহার দেন সত্তরটিরও অধিক অমূল্য গ্রন্থ। তাযকিয়াহ ও আত্মশুদ্ধি বিষয়ক বাইশটি মূল্যবান বইয়ের সম্মিলনে পাঁচ ভলিউমে প্রকাশিত তাঁর ‘আইনা নাহনু মিন হা-উলা’ (সালাফের পথ ছেড়ে কোথায় আমরা?) নামের সিরিজটি পড়ে উপকৃত হয়েছে লাখো মানুষ। উর্দু, পশতু, তুর্কি, বাংলা ও ইংরেজিসহ বিভিন্ন ভাষায় অনূদিত হয়েছে এই সিরিজের অনেকগুলো বই। ‘আজ-জামানুল কাদিম’ নামে তিন খণ্ডে প্রকাশিত তার বিখ্যাত গল্প-সংকলনটিও আরব-বিশ্বে বেশ জনপ্রিয়। সাধারণ মানুষের জন্য তিনি প্রাঞ্জল ভাষায় ছয় খণ্ডে রচনা করেছেন রিয়াজুস সালিহীনের চমৎকার একটি ব্যাখ্যাগ্রন্থ। এছাড়াও তাঁর কুরআন শরিফের শেষ দশ পারার তাফসিরটিও বেশ সমাদৃত হয়েছে।

☆বইটিতে যেসব বিষয় আলোচিত হয়েছে:
-------------------------------------------------------
¤প্রবেশিকা:
   দৃষ্টিশক্তি কখন সর্বশ্রেষ্ঠ নিয়ামাত আর কখন ধ্বংসের কারণ, এ নিয়ামাতের ব্যাপারে শরীয়াতের দিকনির্দেশনা কী, দৃষ্টির ব্যাপারে সতর্ক থাকার প্রয়োজনীয়তা ইত্যাদি বিষয় আলোচিত হয়েছে।

¤অবৈধ স্থানে দৃষ্টিপাতের ফলে সৃষ্ট ফিতনা ও ক্ষতিসমূহ:
   হারাম দৃষ্টিপাতের ফলে কী কী ফিতনা-ফাসাদ ও ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়- এ সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে বইটিতে।
 
¤দৃষ্টি সংযত করার প্রতি পরস্পরকে উপদেশ দানের ক্ষেত্রে আমাদের সালাফগণ:
   সুফিয়ান সাওরী রহ., ইবনে সিরিন রহ., আমর বিন মুররাহ রহ., হাসসান বিন আবু সিনান রহ., আবু দারদা রা., ইসা আ., দাউদ আ., ইয়াহইয়া আ., ফুজাইল রহ., ইয়াহইয়া বিন মুআজ রহ., দাউদ তায়ি রহ., আহমাদ রহ. প্রমুখ সালাফগণের বিভিন্ন বক্তব্য উদ্ধৃত হয়েছে।

¤বনি ইসরাইলের জনৈক আবিদের ঘটনা:
   •অবৈধ দৃষ্টিপাত কিভাবে একজন আবিদকে যিনা, হত্যা, মিথ্যাবাদিতা, কুফরী প্রভৃতি জঘন্য পাপে লিপ্ত করল, এমন একটি ঘটনা উল্লেখ করা হয়েছে।
   •অন্যান্য হদের তুলনায় যিনার হদের তিনটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে আলোকপাত করা হয়েছে।
 
¤দ্বিতীয়বার দৃষ্টিপাত:
   অনেকেই মনে করে যে দ্বিতীয়বার দৃষ্টিপাত করা দোষের কিছু না, এতে প্রথম দৃষ্টির কারণে সৃষ্ট আগুন নিভে যায়। তাদের এ ধারণা যে ভুল এবং দ্বিতীয় দৃষ্টি যে অবৈধ, এ ব্যাপারে ইমাম ইবনুল কাইয়িম আল-জাওজিয়্যাহ দশটি কারণ উল্লেখ করেছেন। সেগুলো তুলে ধরা হয়েছে এখানে।

¤গাইরে মাহরাম নারীর প্রতি দৃষ্টিপাতের বৈধ ক্ষেত্র:
   কোন কোন ক্ষেত্রে বেগানা নারীর প্রতি দৃষ্টি দেয়া যাবে এবং তার সীমারেখা কতটুকু, এ ব্যাপারে আলোচনা করা হয়েছে। এর পাশাপাশি দেবরের সাথে পর্দা, এক নারী কর্তৃক অপর নারীর দৈহিক বর্ণনা উপস্থাপনের অবৈধতা ইত্যাদি বিষয়েও আলোকপাত করা হয়েছে।

¤আল্লাহভীতির তিনটি স্তর:
   তাকওয়া বা আল্লাহভীতির তিনটি স্তর সম্পর্ক সংক্ষিপ্ত আলোচনা করা হয়েছে।

¤দৃষ্টি সংযত রাখার উপকারিতা:
   •দৃষ্টি সংযত রাখার মোট দশটি উপকার বর্ণনা করা হয়েছে।
   •বিয়ের উপকারিতা সম্পর্কে রাসূল সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও সাহাবায়ে কেরামের কিছু বক্তব্য উল্লেখ করা হয়েছে।
   •আহমাদ বিন হাম্বল রহ. বিয়ের ক্ষেত্রে কেমন মেয়েকে পছন্দ করেছিলেন সে ঘটনা এবং ইবনে তাউস রহ.-এর একটি ঘটনা তুলে ধরা হয়েছে সংক্ষেপে।
   •এতিম মেয়েকে বিয়ে করার উপকারিতা, উত্তম চরিত্রের গুরুত্ব ইত্যাদি বিষয়েও সংক্ষিপ্ত আলোচনা করা হয়েছে।
   •ইসলামের প্রাথমিক যুগের কিছু ঘটনা বর্ণনা করা হয়েছে যার মাধ্যমে সালাফদের দুনিয়াবিমুখতা, ইনসাফ, তাকওয়া প্রভৃত গুণাবলি সম্পর্কে কিছুটা ধারণা পাওয়া যায়। উমর রা. ও সাইদ বিন আমির-এর ঘটনা থেকে প্রমাণ পেয়েছি দুনিয়াবিমুখতার। মুআজ বিন জাবাল রা.-এর ঘটনা থেকে জানতে পেরেছি যে তিনি কিভাবে তাঁর একাধিক স্ত্রীর মাঝে ইনসাফ কায়েম করেছিলেন। আরো জানতে পেরেছি যে একজন সালাফ তার স্ত্রীকে তালাক দেয়ার পরও কিভাবে তার সম্মানের প্রতি গুরুত্ব দিয়েছেন। হাসসান বিন আবি সিনানের ঘটনা থেকে জানা যায় যে কিভাবে তিনি একজন মুসলিম বোনের সম্ভ্রম রক্ষার জন্য সম্পদ ব্যয় করেছিলেন।

¤তবুও প্ররোচিত হন নি:
   এ শিরোনামের অধীনে দুটা ঘটনা উল্লেখ করা হয়েছে। রবি বিন খুসাইমকে ফিতনায় ফেলার জন্য কিছু লোক এক সুন্দরী নারীকে দায়িত্ব দেয় ও তার জন্য এক হাজার দিরহাম ঘোষণা করে। এরপর কী কী হল সেটা তুলে ধরা হয়েছে বইটিতে। আরেকটি ছোট্ট ঘটনা আছে এক আল্লাহর বান্দা সম্পর্কে।

¤ঘরে প্রবেশ করার সময় অনুমতি গ্রহণের কারণ:
   কারো ঘরে প্রবেশের সময় কেন অনুমতি নিতে হবে, কেউ বিনা অনুমতিতে ঘরে প্রবেশ করলে কী হবে ইত্যাদি বিষয়ে সংক্ষেপে আলোচনা করা হয়েছে।

¤জনৈক কসাইয়ের বাসনা এবং তাওবা:
   এক কসাই তার প্রতিবেশী এক মেয়ের প্রতি আসক্ত হয়ে পড়েছিল। এরপর কেন সে তওবা করল, তওবার পর দুনিয়াতেই সে কিভাবে এর ফলাফল দেখতে পেল- এ বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়েছে উক্ত ঘটনায়।

¤উবাইদ বিন উমাইরের নিকট এক সুন্দরী মহিলার আগমন:
   একজন সুন্দরী নারী তার স্বামীকে বলল, "আপনি কি এমন কাউকে চিনেন, যে আমার এই সুন্দর চেহারা দেখেও ফিতনায় পড়বে না?" স্বামী বলল, "হ্যাঁ"। স্ত্রী বলল, "সে কে"? স্বামী বলল, "উবাইদ বিন উমাইর"। স্ত্রী বলল, "আপনি আমাকে অনুমতি দিন। আমি তাকে ফিতনায় জড়াব।" স্বামী বলল, "অনুমতি দিলাম।"

এর পর কী কী ঘটল সে সম্পর্কে বর্ণিত আছে বইটিতে।

¤আরো কিছু ঘটনা:
   কুদৃষ্টির কারণে কিভাবে কিছু মানুষের শেষ পরিণতি খারাপ হয়েছিল, মৃত্যুর সময় তাদের কী অবস্থা হয়েছিল- এ সম্পর্কে কিছু ঘটনা তুলে ধরা হয়েছে বইটিতে। এদের কেউ কেউ ঈমানহারাই হয়ে গিয়েছিল শুধুমাত্র দৃষ্টি সংক্রান্ত ফিতনার কারণে।

¤ছুটে আসো আল্লাহর ক্ষমা ও জান্নাতের দিকে:
   তওবার গুরুত্ব, মহান আল্লাহ রব্বুল আলামিনের ক্ষমাশীলতা ও দয়া, গুনাহ হয়ে যাওয়ার পর মুমিনদের ভূমিকা ইত্যাদি বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে। বইটি শেষ হয়েছে লেখকের কয়েক লাইনের দরদমাখা উপদেশ ও দুআর মাধ্যমে।

☆বইটা থেকে কিছু উদ্ধৃতি:
----------------------------------
   "তুমি যখন এটা পছন্দ করো না যে, তোমাকে সম্মান ও শ্রদ্ধা করে- এমন কেউ তোমাকে গুনাহ করতে দেখুক, তাহলে যিনি তোমাকে সৃষ্টি করেছেন, তোমাকে রিজিক দেন এবং যাঁর হাতে এই পৃথিবীর রাজত্ব, তাঁর সামনে কিভাবে গুনাহ করা পছন্দ করো? কীসের ভিত্তিতে তুমি তাঁকে রাগিয়ে তোলো?"

   ওহাইব বিন ওয়ারদ রহ. বলেন, "আল্লাহ তাআলাকে সে পরিমাণ ভয় করো, যে পরিমাণ তিনি তোমার ওপর শক্তি রাখেন। তাঁকে সে পরিমাণ লজ্জা পাও, যে পরিমাণ তিনি তোমার নিকটে রয়েছেন।

   ইবনে আব্বাস রা. বলেন, "হে পাপাচারী, পাপের বিপদ ও শেষের মন্দ পরিণামের ব্যাপারে নিশ্চিন্ত থেকো না। গোপন গৃহে দরজা বন্ধ করে যখন তুমি গুনাহ করো, তখন বাতাসের ঝাপটায় তোমার দরজা খুলে যাওয়াকে ভয় করো; অথচ আল্লাহ তাআলার দৃষ্টির ভয়ে তোমার হৃদয় প্রকম্পিত হয় না।"

☆বইটির কিছু বৈশিষ্ট্য:
-----------------------------
¤বইটি কুরআনের আয়াত, রাসূল (সা)-এর হাদিস, সাহাবায়ে কেরাম, তাবেঈসহ সালফে সালেহীনদের বক্তব্য, বিভিন্ন ছোট ঘটনা, লেখকের দরদমাখা উপদেশ ইত্যাদি দিয়ে সাজানো।

¤বইটি পড়ার সময় মনে হতে পারে, একজন শুভাকাঙ্ক্ষী ও কল্যাণকামী দ্বীনী ভাই বা বন্ধু তার অপর একজন দ্বীনী ভাই বা বন্ধুকে হৃদয়ের আকুতি দিয়ে ডেকে ডেকে যেন বলছেন, "ফিরে এসো সত্যের পথে। অন্যায় দৃষ্টি দিয়ে নিজেকে শেষ করে ফেলিও না।" লেখক পাঠককে কখনো সম্বোধন করেছেন 'প্রিয় ভাই' বলে, কখনোবা 'প্রিয় বন্ধু' বলে, কখনো আবার 'হে প্রিয়' বলে, কখনো 'হে যুবক' বলে, কখনো 'প্রিয় মুসলিম ভাই আমার' বলে। কত দরদমাখা বর্ণনাভঙ্গি!

¤বইটি ছোট। কেউ চাইলে এক বসাতেই পড়ে ফেলতে পারেন। তবে মাঝে মাঝে একই জাতীয় কথা বারবার আসাতে একটু একঘেয়েমি লাগতে পারে। এক্ষেত্রে প্রতিদিন কয়েক পৃষ্ঠা করে পড়া যেতে পারে।

¤কিছু ক্ষেত্রে শিরোনামের সাথে ভিতরের কথায় পুরোপুরি মিল নেই। ভিতরে অন্য বিষয়ে হালকা আলোচনা আছে। তবে ভিতরে যে কথাগুলো লেখা আছে সেগুলোও অনেক গুরুত্বপূর্ণ। অপ্রাসঙ্গিক বলার সুযোগ নেই।

¤বইয়ের মূল লেখা ৮৫ নং পৃষ্ঠা পর্যন্ত। এরপর 'পাঠকের পাতা' নামে দুটা পৃষ্ঠা রাখা হয়েছে যেখানে পাঠক প্রয়োজনীয় কিছু কথা লিখে রাখতে পারবেন। সেটা হতে পারে বইটি পড়ার পর তার অনুভূতি অথবা বইটির শিক্ষণীয় বিষয়সমূহ অথবা বইয়ের উল্লেখযোগ্য কিছু লাইন।

☆বইটি যাদের কেনা উচিত:
------------------------------------
৹অবিবাহিত ও বিবাহিত প্রতিটি যুবকের উচিত বইটি কিনে পড়া। একবার নয়, বারবার পড়া, মাঝে মাঝেই পড়া।
৹দৃষ্টি সংক্রান্ত গুনাহ যদিও ছেলেদের দ্বারা বেশি সংঘটিত হয়, কিন্তু মেয়েরাও এ থেকে মুক্ত নয়। একদিকে কোনো ছেলের দিকে কুচিন্তাসহ দৃষ্টিপাত বৈধ নয়। আরেকদিকে ছেলেদের কুদৃষ্টি থেকে নিজেদের বাঁচানোর জন্য পর্দা করা উচিত। এ উভয় দৃষ্টিকোণ থেকে আমি মনে করি বোনদেরও উচিত এ বইটি কিনে পড়া।
৹যেসব অভিভাবকের যুবক সন্তান আছে, তাদের উচিত বইটি কিনে সন্তানদের পড়তে দেয়া।
৹যারা বিভিন্নভাবে যুবকদের মাঝে দাওয়াতী কাজ করেন, তাদের উচিতএ বইটি কিনে উপহার দেয়া।
৹বিভিন্ন পাঠাগারে এ বইটি ও এ জাতীয় আরো কিছু বই রাখা উচিত, যেগুলো যুব সমাজের চরিত্র গঠনে সহায়ক।