শব্দতরু ইসলামি বই গ্রুপ রিভিউ প্রতিযোগিতা জানুয়ারি ২০২০

বই: শয়তানের চক্রান্ত
মূল: ইমাম ইবনু আবিদ দুনইয়া রহ.
অনুবাদক: শরীফুল ইসলাম ও আব্দুল্লাহ ওসমান
সম্পাদক: আবদুল্লাহ আল মাসউদ
প্রকাশনী: মাকতাবাতুল আসলাফ
মোট পৃষ্ঠা: ১৩২
মুদ্রিত মূল্য: ১৯০ টাকা

☪বইটির সংক্ষিপ্ত পরিচিতি:
-------------------------------------
'শয়তানের চক্রান্ত' বইটি মূলত লেখকের দুইটি বইয়ের অনুবাদগ্রন্থ। একটি হচ্ছে 'মাকায়িদুশ শাইতান', আরেকটি 'যাম্মুল মালাহি'। 'মাকায়িদুশ শাইতান' বইয়ে শয়তানের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডকে কুরআন ও হাদিসের আলোকে তুলে ধরা হয়েছে। 'যাম্মুল মালাহি' বইয়ে গান, নাচ, পাশা, যিনা, সমকাম ইত্যাদি বিষয়ে আলোকপাত করা হয়েছে।

☪সংক্ষেপে লেখক পরিচিতি: (বইয়ে প্রদত্ত তথ্যের
-----------------------------------------------------------------
 আলোকে):
---------------
ইমাম ইবনু আবিদ দুনইয়া রহ. হিজরী তৃতীয় শতাব্দীর একজন বিখ্যাত আলেম। তৎকালীন বাগদাদের প্রসিদ্ধ সকল মাশায়েখের নিকট থেকে তিনি ইলম হাসিল করেন এবং অল্প সময়েই সমকালীন আলেমদের মধ্যে নিজের অবস্থান তৈরি করে নিতে সক্ষম হন। ইবনে কাসীর রহ. লিখেছেন, "প্রত্যেক শাস্ত্রে তাঁর লিখিত কিতাব রয়েছে। তিনি প্রসিদ্ধ ও উপকারী বহু গ্রন্থের প্রণেতা। তার লিখিত একশ'র বেশি কিতাব রয়েছে। তবে এর বেশি বা কম হওয়ার ব্যাপারেও অনেকের মতপার্থক্য রয়েছে।"

☪বইটিতে যা আছে:
---------------------------
¤সম্পাদকীয় ভূমিকা: (১৬-৩৫ নং পৃষ্ঠা)
   বলা যায়, সম্মানিত সম্পাদক সাহেব তাঁর লেখা ভূমিকাতে পুরো বইটির সারনির্যাস তুলে ধরেছেন। খেলাধুলা বিষয়ে ইসলামের মৌলিক নীতিমালা উল্লেখ করেছেন তিনি। শরীয়াতের আলোকে খেলাধুলার প্রকারভেদ ও সেগুলোর হুকুম, পাশা খেলার পরিচয় ও হুকুম, দাবা খেলার পরিচয় ও হুকুম, ফিকহে হানাফীতে পাশা ও দাবা খেলার অবস্থান, সমকামিতা ও তার শাস্তি, সমকামিতা নামক রোগের নয়টি চিকিৎসা প্রভৃতি বিষয় আলোচনা করেছেন। কোন ধরণের খেলাধূলা হারাম, কোনগুলো হালাল, কোনগুলো শর্তসাপেক্ষে হালাল, সে শর্তসমূহ কী কী-এসব বিষয় জানার জন্যও এ ভূমিকাটা অধ্যয়ন করা জরুরি। এসব বিষয়ে আলোচনার ক্ষেত্রে সম্পাদক সাহেব কুরআনের আয়াত, বিভিন্ন হাদিস ও সালাফদের বক্তব্যসমূহ তুলে ধরেছেন। সেগুলোর তথ্যসূত্রও যথাযথভাবে উল্লেখিত হয়েছে।

¤জিন ও শয়তানদের সম্পর্কে: (৩৬-৭৪ নং পৃষ্ঠা)
   জিনদের তিনটা দল, দুষ্ট জিনদের অবস্থা, ভূত-প্রেত, জিনদের বাসস্থান ও খাবার, তাদের আদি পিতা, জিন সম্পর্কিত কিছু ঘটনা, জিনের সর্দারের চিঠি, খারাপ জিন থেকে রক্ষা পাওয়ার দুআ ও তাদের উৎপাত থেকে মুক্তির উপায়, তাদেরকে দেখলে করণীয়, শয়তানের হাত থেকে রক্ষায় সূরা ইয়াসিন ও আয়াতুল কুরসী, খারাপ জিনদের ফল চুরি, শয়তানের ওপর কুরআনের প্রভাব, যিকিরের উপকার, শয়তানের অবস্থান, তাদের আকৃতি বিকৃত হওয়া, মুমিনের মৃত্যুতে শয়তানের ক্রন্দন, শিরা-উপশিরায় ঘুরে বেড়ানো, শয়তানের কথোপকথন, হিংসা ও লোভের মাধ্যমে তাদের চক্রান্ত, তাদের অহংকার, তাদের কুবুদ্ধি প্রভৃতি বিষয় সম্পর্কে তুলে ধরা হয়েছে বইটিতে। এছাড়া আরো উল্লেখ করা হয়েছে ইয়াহইয়া আ., ঈসা আ., রাসূল স., উমর রা. ও আম্মার রা.-এর সাথে; ইবনু হানযালা, কারুন, একজন সন্ন্যাসী প্রভৃতি ব্যক্তিবর্গের সাথে শয়তানের চক্রান্তের প্রচেষ্টাসমূহ। ইবলিসের কাছে সবচেয়ে প্রিয় ও ঘৃণিত মানুষ কে, মৃত্যুর সময় ইবলিসের ধোঁকা, ইবলিসের নাম, শয়তানের ক্ষমতা, তাদের কুমন্ত্রণা দেয়ার ধরণ, উমর রা.-কে দেখে শয়তানের পলায়ন, শয়তান থেকে মানুষকে রক্ষায় ফেরেশতাদের ভূমিকা-এসব বিষয়ও বাদ যায় নি বইটিতে। আদম আ.-এর সাথে শয়তানের কী কী কথোপকথন হয়েছিল, সেটাও জানা যায় এ বইটি থেকে।

¤পাপাচারের শাস্তি: (৭৫-৮৪ নং পৃষ্ঠা)
   কিয়ামতের আগে কী কী আযাব আসবে, কোন পনেরটি অভ্যাসে অভ্যস্ত হয়ে গেলে আযাব আসবে, বাদ্যযন্ত্রের প্রসার ঘটলে কোন শাস্তি আসবে, কেন বানর ও শুকরে বিকৃত করে দেয়া হবে, কাদের ওপর পাহাড় উঠিয়ে নিক্ষেপ করা হবে, ভূমিকম্পের শাস্তি কখন আসবে, কোন বিষয়গুলো না ঘটা পর্যন্ত কিয়ামত আসবে না- এসব বিষয় সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে এ অধ্যায়টিতে। এসব ব্যাপারে রাসূল সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের হাদিস ও সালাফদের বক্তব্য তুলে ধরা হয়েছে। হাদিসের ক্ষেত্রে তথ্যসূত্র ও হাদিসের মান উল্লেখিত হয়েছে টিকায়।

¤গান-বাজনা ও বাদ্যযন্ত্র: (৮৫-৯৬ নং পৃষ্ঠা)
   বাদ্যযন্ত্র ক্রয়-বিক্রয়ের হুকুম, পবিত্র কুরআনে গান-বাজনার উল্লেখ ও সালাফগণের ব্যাখ্যা, গানের ক্ষতি ও যিকিরের লাভ, গায়কের কাছে শয়তানের আগমন, গায়ক ও শ্রোতার উপর অভিশাপ, অশ্লীল গান-বাজনার আসক্তি, গায়কের কাছে প্রেরিত চিঠি, সঙ্গীতকর্মের বিনিময়, গায়িকা নারীদের ক্রয়-বিক্রয় ইত্যাদি বিষয়ের বর্ণনা দেখতে পাওয়া যায় এ অধ্যায়টিতে। কোন চার শ্রেণীর মানুষের প্রতি আল্লাহ অসন্তুষ্ট, কেন একজন আবেদ ব্যক্তি দাওয়াতের স্থান থেকে না খেয়ে বিদায় নিলেন, কেন সুলাইমান বিন আবদুল মালিক কিছু লোকের অণ্ডকোষ কেটে দিতে বলেছিলেন-এসব প্রশ্নের উত্তর উল্লেখিত আছে 'গান-বাজনা ও বাদ্যযন্ত্র' নামক এ অধ্যায়ে। উমর বিন আবদুল আযীয রহ. তাঁর ছেলের শিক্ষকের কাছে একটি চিঠি পাঠিয়েছিলেন। সেটিও লিপিবদ্ধ করা হয়েছে এ অধ্যায়ে।

¤বাঁশি বিষয়ে সতর্কতা: (৯৭-১০১ নং পৃষ্ঠা)
   দুইটি অভিশপ্ত শব্দ কী কী, সবচেয়ে নিকৃষ্ট উপার্জন কোনটি, মদ পান করার শাস্তি কী, তা থেকে বিরত থাকার পুরস্কার কী, গান-বাজনা থেকে বিরত থাকার পুরস্কার কী-এসব প্রশ্নের উত্তর পেতে হলে পড়তে হবে উক্ত অধ্যায়টি। উচ্চাভিলাষী মেয়ের পরিবর্তে সাধারণ মেয়েকে বিবাহ করার ব্যাপারে মালিক বিন দিনার রাহিমাহুল্লাহ-এর দিকনির্দেশনা সম্পর্কে জানতে, বাঁশির শব্দ শোনার পর রাসূল সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও আবদুল্লাহ ইবনু উমর রা.-এর ভূমিকা সম্পর্কে জানতে এ অধ্যায়টি পড়তে হবে।

¤পাশা বা লুডু খেলা: (১০২-১০৬ নং পৃষ্ঠা)
   পাশার ঘুঁটি দিয়ে উপার্জন, লুডু খেলা, বাজি ধরে পাশা খেলা, পাশা খেলার ব্যাপারে ইবনু যুবায়ের রা.-এর ভাষণ, পাশা খেলোয়াড়দের অন্তরের উদাসীনতা, শুকরের রক্তে হাত চুবানোর সাথে এ খেলার তুলনা-এসব বিষয় আলোচিত হয়েছে এ অধ্যায়ে। রাসূল সা., সাহাবায়ে কেরামসহ সালফে সালেহীনদের বিভিন্ন বক্তব্যের মাধ্যমে পাশা খেলার নিষেধাজ্ঞা সম্পর্কে স্পষ্ট বর্ণনা উপস্থাপিত হয়েছে এখানে। এক্ষেত্রেও তথ্যসূত্রসমূহ যথাযথভাবে লেখা হয়েছে।

¤দাবা খেলা: (১০৭-১০৯ নং পৃষ্ঠা)
   দাবা অগ্নিপূজকদের খেলা, এটি অভিশপ্ত খেলা, এটি পাশার চেয়েও নিকৃষ্ট, এটি আল্লাহর স্মরণ থেকে বিমুখ রাখে- এসব কথার সপক্ষে সালাফদের উক্তিসমূহ তুলে ধরা হয়েছে। এ খেলার কুফলসমূহও সংক্ষিপ্তভাবে উল্লেখিত হয়েছে। দাবা ও পাশা খেলার ব্যাপারে ইবনু আব্বাস রা.-এর ছোট্ট একটি ঘটনাও বর্ণিত হয়েছে।

¤গুটি খেলা: (১১০ নং পৃষ্ঠা)
   এ খেলার ব্যাপারে ইবনু উমর (রা), সালামা বিন আকওয়া (রা) ও উম্মে সালামা (রা)-এর ভূমিকা ও বক্তব্য উল্লেখ করা হয়েছে।

¤বরই বিচি দিয়ে খেলা: (১১১ নং পৃষ্ঠা)
¤তবলা: (১১১ নং পৃষ্ঠা)
¤জুয়া বা বাজি ধরা: (১১২-১১৩ নং পৃষ্ঠা)
¤কবুতর দিয়ে বাজি ধরা: ( ১১৪ নং পৃষ্ঠা)
¤সমকামিতা: (১১৫-১১৯ নং পৃষ্ঠা)
   সমকামিতার শাস্তি, সমকামিতার মিথ্যা অপবাদ দেয়ার শাস্তি, সুশ্রী বালকের দিকে তাকানো ও তার সাথে রাত্রিযাপন- এসব বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
¤নারী সমকাম: (১২০-১২৩ নং পৃষ্ঠা)
¤পুরুষ সমকাম: (১২৪-১২৫ নং পৃষ্ঠা)
¤হিজড়া: (১২৬-১২৯ নং পৃষ্ঠা)
   হিজড়াদের থেকে পর্দার আদেশ, তাদের ইমামতি, হিজড়াকে ঘরে আসতে নিষেধ করা, কাউকে হিজড়া বলার শাস্তি ইত্যাদি বিষয় আলোচিত হয়েছে।

☪কেন পড়বেন বইটি:
-----------------------------
শয়তান আমাদের এমন এক শত্রু যে সবসময় আমাদের সাথে লেগেই থাকে। সে আমাদের রন্ধ্রে রন্ধ্রে প্রবেশ করে কুমন্ত্রণা দেয়। আমরা যখন কোনো বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে যাই, তখন পরামর্শদাতা হিসেবে উপস্থিত হয় শয়তান। আমরা যখন কোনো ভালো কাজ করতে যাই, তখন সেটার প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিকারী হিসেবে হাজির হয়ে যায় শয়তান। যখন কোনো খারাপ বা অনৈতিক কাজ করতে যাই, তখন সেটার সহযোগী হিসেবে ভূমিকা পালন করে শয়তান। এখন আমরা যদি শয়তানকে সুযোগ দেই, তাহলে তো সে আমাদেরকে জাহান্নাম পর্যন্ত না পৌঁছিয়ে ক্ষান্ত হবে না। এজন্য আমাদের উচিত এ চিরশত্রুকে কখনোই সুযোগ না দেয়া। বরং প্রতিটি মুহূর্তে নিজের সর্বোচ্চ শক্তি দিয়ে শয়তানের সাথে যুদ্ধ করা উচিত। এখন এ যুদ্ধে জয়ী হওয়াটা কঠিন হয়ে যাবে, যদি আমরা আমাদের এ চির প্রতিপক্ষ সম্পর্কে না জানি। শয়তান কে, কী তার পরিচয়, সে কোথায় থাকে, সে কিভাবে মানুষকে ধোঁকা দেয়, কিভাবে তার আক্রমণ থেকে বেঁচে থাকা সম্ভব ইত্যাদি বিষয় সম্পর্কে জানার জন্য এ বইটি পড়া উচিত।

গান-বাজনা, পাশা খেলা, দাবা খেলা, জুয়া, কবুতর বাজি, সমকামিতা ইত্যাদি শয়তানী কর্মকাণ্ডের সাথে আমরা অনেকেই জড়িত। এগুলো যে কত বড় অন্যায় সে সম্পর্কে হয়তো আমাদের কোনো ধারণাই নেই। হতে পারে এ জঘন্য অপকর্মগুলোই আমাদের জাহান্নামে যাওয়ার কারণ হয়ে যাবে। এসব কর্মকাণ্ডের ক্ষেত্রে শরীয়াতের বিধান কী, রাসূল সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাহাবায়ে কেরামসহ সালফে সালেহীনগণ এসবের ব্যাপারে কী বলেছেন- সে সম্পর্কে জ্ঞানলাভ করা অনেক জরুরি। এক্ষেত্রে এ বইটি অত্যন্ত সহায়ক ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করি।

☪বইটির কিছু ইতিবাচক বৈশিষ্ট্য:
------------------------------‌--------------
•প্রায় পুরো বইটি সাজানো হয়েছে রাসূল (সা)-এর হাদিস, সাহাবায়ে কেরামের বক্তব্য ও অন্যান্য সালাফদের বাণী দিয়ে।
•টিকায় বিভিন্ন তথ্যসূত্র উল্লেখ করা হয়েছে।
•বইটির সম্মানিত সম্পাদক সাহেব তাঁর ভূমিকাতে জরুরি মাসয়ালা-মাসায়েলসমূহ উল্লেখের মাধ্যমে বইয়ের সৌন্দর্য্য ও কার্যকারিতা বাড়িয়ে তুলেছেন।
•বইয়ের কভার, কাগজের মান, লেখার ফন্ট ইত্যাদি ভালো লেগেছে।
•বইয়ের শেষের দিকে পাঠকের নোট করার জন্য দুটা পৃষ্ঠা রাখা হয়েছে। এ দিকটা ভালো লেগেছে। বই পড়ার সময় অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যায় যেগুলো লিখে রাখা উচিত। এক্ষেত্রে এ পৃষ্ঠা দুটি যথেষ্ট সহায়ক হবে বলে মনে করি।
•সর্বশেষ পৃষ্ঠায় মাকতাবাতুল আসলাফ কর্তৃক প্রকাশিত ও প্রকাশিতব্য বইয়ের একটি তালিকা দেয়া হয়েছে। এ বিষয়টিও ভালো লেগেছে। এতে করে পাঠক অন্যান্য আরো কিছু বই কেনার ব্যাপারে উৎসাহিত হতে পারেন।

☪দুটি নেতিবাচক কথা:
--------------------------------
   >বইটিতে অনুবাদকগণের পরিচিতি উল্লেখ করা হয় নি। সংক্ষিপ্ত আকারে হলেও তাঁদের পরিচিতি উল্লেখ করলে ভালো হত।
   >বইটিতে অনেক উপশিরোনাম উল্লেখ করা হয়েছে। কখনো কখনো একটা উপশিরোনামের অধীনে একটি মাত্র বাণী। কখনো আবার একই উপশিরোনাম একাধিকবার।
 
☪পাঠকদের প্রতি একটি কথা:
----------------------------------------
যদিও উক্ত বইটি অনেক তথ্যবহুল, কিন্তু শয়তানের চক্রান্ত সম্পর্কে জানার জন্য ও ভালোভাবে বোঝার জন্য এ একটি বইকেই যথেষ্ট মনে করলে ভুল হবে। আরো ভালোভাবে জানার জন্য 'নেক সুরতে শয়তানের ধোঁকা', 'শয়তানের ওয়াসওয়াসা ও প্রতিকার', 'মৃত্যুশয্যায় শয়তানের ধোঁকা', 'ওয়াসওয়াসা: শয়তানের কুমন্ত্রণা' ইত্যাদি বই পড়ার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করছি।

পরিশেষে বলতে চাই, শয়তানের পরিচয় ও তার চক্রান্ত সম্পর্কে ভালোভাবে জানা উচিত প্রতিটি মুসলমানের। কারণ সে-ই আমাদের এক নাম্বার শত্রু। এজন্য এ বইটিসহ এ সংক্রান্ত আরো কিছু বই পড়া উচিত বলে মনে করি। সব মুসলিম পরিবারে এবং প্রতিটি পাঠাগারে যেন এ জাতীয় বই থাকে, সে ব্যাপারে আমাদের উদ্যোগ নিতে হবে।

#ইসলামি_বই_রিভিউ_প্রতিযোগিতা_জানুয়ারি_২০২০